মো: সোহেল রানা : খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০টি পরিবারের মাঝে শর্তহীন নগদ অর্থ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
২৫ জুলাই শনিবার বিকেলে দীঘিনালা উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করে জাবারাং কল্যাণ সমিতি। প্রকল্পে কারিগরি সহযোগিতা দিয়েছে স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশ এবং বাস্তবায়নকারী সহযোগী হিসেবে ছিল কারিতাস বাংলাদেশ। অর্থায়নে ছিল ইউকে এইড, সুইডিশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা (সিডা), নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জার্সি ওভারসিজ এইড, জার্সি সরকারের অলাভজনক অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান এবং কনরাড এন. হিলটন ফাউন্ডেশন।
কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমার সভাপতিত্বে এবং জাবারাং কল্যাণ সমিতির টিম লিডার বিদ্যুৎ জ্যোতি চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দীঘিনালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিউল আলম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিতাস বাংলাদেশের প্রতিনিধি শুভ্রা তেরেসা সরদার, জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা, দীঘিনালা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. সোহেল রানা এবং দীঘিনালা উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মোছা. মনোয়ারা বেগম।
অনুষ্ঠান শেষে কবাখালী ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত ২০০টি পরিবারের মাঝে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে প্রত্যেককে ৮ হাজার টাকা করে শর্তহীন নগদ সহায়তা এবং একটি করে স্বাস্থ্য সুরক্ষা (হাইজিন) কিট বিতরণ করা হয়।
হাইজিন কিটে ছিল ২০ লিটারের একটি বালতি, একটি মগ, দুটি গোসলের সাবান, ২ কেজি ডিটারজেন্ট, ১০ প্যাকেট খাবার স্যালাইন, ৬ লিটার বিশুদ্ধ পানি, একটি নেইল কাটার এবং নারীদের জন্য ১০টি স্যানিটারি ন্যাপকিন।
বক্তারা বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে নগদ সহায়তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনরুদ্ধার কার্যক্রমেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
