মো. শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া আসাদ :
খাগড়াছড়ি পৌরসভার কলাবাগান এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ফার্নিচারের দোকান, কাঠের গুদাম, কারখানা ও বসতঘরসহ অন্তত ৯টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক স্থাপনা পুড়ে গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
৬ নভেম্বর শুক্রবার ভোররাত ২টা ৫০ মিনিটের দিকে খাগড়াছড়ি সেনানিবাসের ৪ নম্বর গেটসংলগ্ন কলাবাগান এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সংসদ সদস্যের বাসভবনসংলগ্ন এলাকায় মো. গিয়াস উদ্দিনের ফার্নিচারের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের ফার্নিচারের দোকান, কাঠের গুদাম, কারখানা ও বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে একের পর এক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক স্থাপনা পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর ৪টা ২৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন মো. রাজ্জাক, মো. নজরুল, মো. গিয়াস উদ্দিন, মো. রফিক ও মো. জয়নাল। তাঁদের ফার্নিচারের দোকান, কাঠের গুদাম, কারখানা ও বসতঘর পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক লাইনের ত্রুটি কিংবা শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
