খাগড়াছড়িতে কৃষকদের মাঝে এলএসটিডি বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ


hello.ahmedpolash প্রকাশের সময় : মে ২০, ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ন /
খাগড়াছড়িতে কৃষকদের মাঝে এলএসটিডি বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ

 

প্রতিনিধিঃ খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পাইলটপাড়া প্রযুক্তি গ্রামে কৃষকদের মাঝে এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করা হয়েছে। ২০ মে বুধবার ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির উদ্যোগে বোরো মৌসুমের উৎপাদিত বীজ সংরক্ষণের জন্য কৃষকদের মাঝে ২০টি এলএসটিডি বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় খাগড়াছড়ির প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মো. জাহিদুল ইসলাম এবং ড. মো. আবুবকর সিদ্দিক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মীর ওবায়দুর রহমান শাওন।

ব্রি উদ্ভাবিত আধুনিক উচ্চফলনশীল ধানের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এর আগে কৃষকদের মাঝে ব্রি ধান-১০০, ব্রি ধান-১০২, ব্রি ধান-১০৪, ব্রি ধান-১০৮ ও ব্রি ধান-১১৪ জাতের বীজ, সার, কীটনাশক, ছত্রাকনাশক এবং সাইনবোর্ড বিতরণ করা হয়েছিল। উৎপাদিত সুস্থ ও মানসম্পন্ন বীজ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এলএসটিডি প্রকল্পের অর্থায়নে এবার বীজ সংরক্ষণ পাত্র প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. সিরাজুল ইসলাম কৃষকদের সঠিক নিয়মে বীজ সংরক্ষণের কলাকৌশল সম্পর্কে ধারণা দেন। তিনি বলেন, উন্নতমানের বীজ নির্বাচন ও সংরক্ষণ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। নিজের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অন্যান্য কৃষকদের জন্যও মানসম্মত বীজ সংরক্ষণে কৃষকদের এগিয়ে আসতে হবে।

স্থানীয় কৃষকেরা বীজ সংরক্ষণ পাত্র পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে সঠিকভাবে বীজ সংরক্ষণের আশ্বাস দেন।

আয়োজকরা জানান, এর আগে আমন মৌসুমেও এই প্রযুক্তি গ্রামে ১০টি বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করা হয়েছিল। ভবিষ্যতেও এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। এছাড়া বর্তমানে আউশ মৌসুমে এ প্রযুক্তি গ্রামে ১৫টি ধানের জাতের রাইস গার্ডেন এবং ১৫ একর জমিতে প্রায়োগিক পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।