খাগড়াছড়িতে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমন ধানের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু

খাগড়াছড়ি কৃষি খাগড়াছড়ি সদর

ছোটন বিশ্বাস : পার্বত্য অঞ্চলে কৃষির আধুনিকায়ন ও যান্ত্রিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে খাগড়াছড়িতে “স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি)” প্রকল্পের আওতায় যান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমন ধানের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

২৫ জুলাই রবিবার সকালে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার বটতলী পাইলটপাড়া প্রযুক্তি গ্রামে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির উদ্যোগে পাঁচ একর জমিতে রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টার মেশিনের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রচলিত বীজতলার পরিবর্তে প্লাস্টিক ট্রেতে ধানের চারা উৎপাদন করা হয়। পরে রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টার ব্যবহার করে দ্রুত ও সাশ্রয়ী উপায়ে কৃষকের জমিতে চারা রোপণ করা হয়।

উপকারভোগী কৃষক বাবলু চাকমা বলেন, এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে শ্রমিকের সংকট মোকাবিলা সহজ হবে এবং চাষাবাদের ব্যয়ও কমে আসবে। এতে এলাকার আরও কৃষক যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধান চাষে উৎসাহিত হবেন।

চারা রোপণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ ওঙ্কার বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মীর ওবায়দুর রহমান শাওন।

ব্রি সূত্রে জানা যায়, এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় পাঁচ একর জমিতে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য এর আগে পাঁচজন উপকারভোগী কৃষকের মাঝে প্রয়োজনীয় সার, বালাইনাশক ও সাইনবোর্ড বিতরণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধান চাষের এ উদ্যোগ পার্বত্য অঞ্চলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, শ্রম ও সময় সাশ্রয় এবং কৃষকদের আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *