মাটিরাঙ্গায় ‘অ্যাক্সেস টু ইউটিলাইজেশন অব লাইফ সেভিং’ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা

খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গা স্বাস্থ্য

জসীম উদ্দিন জয়নাল: খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশু ও পরিবারের জন্য স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং জীবনরক্ষাকারী সেবায় প্রবেশাধিকার বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘অ্যাক্সেস টু ইউটিলাইজেশন অব লাইফ সেভিং সার্ভিসেস বাই মার্জিনালাইজড কমিউনিটিজ ইন চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৫ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল ১১টায় মাটিরাঙ্গা উপজেলা অডিটোরিয়ামে জাবারাং কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে এবং হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়।

জাবারাং কল্যাণ সমিতির উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মো. মাঈনুদ্দিন রাজুর সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য নারায়ণ ত্রিপুরা, মাটিরাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজালাল কাজল, মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি জসীম উদ্দিন জয়নালসহ সংশ্লিষ্টরা।

কর্মশালায় জানানো হয়, প্রকল্পটি খাগড়াছড়ি জেলার নয়টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সমন্বিত পুষ্টি, খাদ্যনিরাপত্তা এবং ওয়াশ কার্যক্রমের মাধ্যমে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও তাদের পরিবারের পুষ্টিগত অবস্থা, স্বাস্থ্যগত সক্ষমতা এবং সামগ্রিক কল্যাণ উন্নয়নে কাজ করবে প্রকল্পটি।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনের সময়ে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও অন্যান্য জীবনরক্ষাকারী সেবা সহজলভ্য করা জরুরি। শিশুদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, দুর্গম এলাকার শিশু ও প্রান্তিক পরিবারের কাছে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জীবনরক্ষাকারী সেবা পৌঁছে দিতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।

কর্মশালায় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *