জসীম উদ্দিন জয়নাল :
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌর সদরের বিভিন্ন ওষুধের দোকানে অভিযান চালিয়ে দুই ফার্মেসিকে মোট ৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে পরিচালিত অভিযানে একটি ফার্মেসিতে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধ এবং অন্যটিতে ওষুধ সংরক্ষণ ও প্যাকেট কাটার ক্ষেত্রে অনিয়ম পাওয়া যায়।
অভিযানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৮ ও ৫১ ধারায় মেসার্স জামান ফার্মেসীকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির দোকানে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ওষুধ পাওয়া গেলে তা বিক্রি না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।
অন্যদিকে একই আইনের ৫১ ধারায় মেসার্স প্যানাসিয়া ফার্মেসীকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিতে ওষুধ নির্ধারিত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না করার বিষয়টি ধরা পড়ে। পাশাপাশি ওষুধের পাতা এমনভাবে কাটার অনিয়ম পাওয়া যায়, যাতে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল না।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করার পাশাপাশি ওষুধ যথাযথ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ, মেয়াদের তথ্য দৃশ্যমান রাখা এবং বিধি মেনে ওষুধ বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খাগড়াছড়ি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনিছুর রহমান। এ সময় মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মাটিরাঙ্গা থানার এএসআই আশরাফুল ইসলাম এবং পুলিশ সদস্য মো. গোলাপ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে ওষুধের গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিশেষ করে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রি না করা, ওষুধ সঠিক তাপমাত্রায় রাখা এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান রাখার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনিছুর রহমান বলেন, ওষুধের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার তদারকি করা হচ্ছে। প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির জন্য ব্যবসায়ীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভোক্তাদের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
