কাবাডিতে জেলা চ্যাম্পিয়ন খাগড়াছড়ি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ

⚽ খেলাধুলা খাগড়াছড়ি দীঘিনালা পার্বত্য চট্টগ্রাম

প্রতিনিধি:

জেলা পর্যায়ের কাবাডি প্রতিযোগিতায় আবারও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে খাগড়াছড়ি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের বালক দল। ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার অনুষ্ঠিত ফাইনালে দীঘিনালা উপজেলাকে পরাজিত করে জেলা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটির খেলোয়াড়রা।

প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে পানছড়ি উপজেলাকে হারিয়ে পরবর্তী ধাপে ওঠে খাগড়াছড়ি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ। এরপর সেমিফাইনালে মানিকছড়ি উপজেলাকে পরাজিত করে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে দলটি।

ফাইনালে দীঘিনালা উপজেলার মুখোমুখি হয়ে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ও কৌশলনির্ভর খেলা উপহার দেয় টেকনিক্যাল স্কুলের খেলোয়াড়রা। প্রতিপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করার পাশাপাশি দলীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যায় তারা। শেষ পর্যন্ত দীঘিনালাকে হারিয়ে কাঙ্ক্ষিত শিরোপা নিজেদের করে নেয় দলটি।

পুরো প্রতিযোগিতাজুড়ে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও লড়াকু মানসিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রতিটি ম্যাচে পরিকল্পিত কৌশল বাস্তবায়ন ও দলগত বোঝাপড়ার মাধ্যমে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয় তারা।

এ সাফল্যের পেছনে খেলোয়াড়দের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। নিয়মিত অনুশীলনে উৎসাহ দেওয়া, খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা এবং প্রতিযোগিতার পুরো সময় তাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন শিক্ষকরা।

খাগড়াছড়ি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের কাবাডিতে এ সাফল্য নতুন নয়। ২০২৫ সালে জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৪-২৫-এর আওতায় অনুষ্ঠিত জেলা পর্যায়ের কাবাডি প্রতিযোগিতার বালক বিভাগেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। ওই আসরের ফাইনালে এপিবিএন হাই স্কুলকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল দলটি।

পরপর সাফল্যের ফলে জেলা পর্যায়ের কাবাডিতে প্রতিষ্ঠানটির শক্ত অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে। নিয়মিত অনুশীলন, দলীয় প্রস্তুতি এবং শিক্ষকদের সহযোগিতাকে এ ধারাবাহিকতার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাছাইপর্ব থেকে ফাইনাল পর্যন্ত জয় ধরে রেখে শিরোপা জেতায় এবারের অর্জনকে বিশেষভাবে দেখছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াপ্রেমীরা। কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এ সাফল্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন এই সাফল্য ভবিষ্যতে বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় আরও ভালো করার জন্য দলটির খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *