ইমরান হোসেন জুমান: রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সর্বশেষ ২৯ আগস্ট শনিবার উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের চূড়াখালী গ্রামে পানিতে ডুবে নুসরাত জাহান নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে বাঘাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যার জমে থাকা পানিতে ডুবে অন্তত পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বন্যার পানি দীর্ঘদিন বিভিন্ন স্থানে জমে থাকায় শিশুদের খেলাধুলা ও চলাচলের সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। বাড়ির আশপাশের ডোবা, খাল, জলাশয় ও জমে থাকা বন্যার পানিতে অসাবধানতাবশত শিশুরা পড়ে যাচ্ছে।
সর্বশেষ চূড়াখালী গ্রামের ঘটনায়ও শিশুটির পানিতে ডুবে মৃত্যুর পর এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বন্যাকবলিত এলাকায় শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সতর্কতা দেখা দিয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। শিশুদের চলাফেরা, খেলাধুলা এবং বাড়ির আশপাশে অবস্থানের সময় সার্বক্ষণিক নজরদারি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পানি জমে থাকা স্থান ও ঝুঁকিপূর্ণ জলাশয়ের কাছে শিশুদের একা যেতে না দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।
সচেতন মহলের মতে, বন্যার পর দীর্ঘদিন জমে থাকা পানি শিশুদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সামান্য অসতর্কতাও একটি পরিবারের অমূল্য সন্তানকে কেড়ে নিতে পারে। তাই অভিভাবকদের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে শিশুদের পানিতে ডুবে যাওয়া প্রতিরোধে আরও সচেতনতামূলক কার্যক্রম প্রয়োজন।
