খাগড়াছড়ির চার উপজেলায় এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের মাঝে ধান চাষের উপকরণ বিতরণ


admin প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৮, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ন /
খাগড়াছড়ির চার উপজেলায় এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের মাঝে ধান চাষের উপকরণ বিতরণ

ছোটন বিশ্বাস : খাগড়াছড়িতে এলএসটিডি প্রকল্পের অর্থায়নে জেলার চারটি উপজেলায় ধান চাষে অংশগ্রহণকারী কৃষকদের মাঝে প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। ৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক কার্যালয়ের বাস্তবায়নে এ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের আওতায় খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা, গুইমারা, মানিকছড়ি ও রামগড়—এই চারটি উপজেলায় মোট ২৫ একর জমিতে প্রায়োগিক মাঠ পরীক্ষণ ও মূল্যায়নের লক্ষ্যে ২৫ জন কৃষকের মধ্যে ধান চাষের বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করা হয়।

অনুষ্ঠানে ব্রি খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মীর ওবায়দুর রহমান শাওনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কার্যালয়ের প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম।

বিতরণকৃত কৃষি উপকরণের মধ্যে ছিল ইউরিয়া, এমওপি, ডিএপি, জিপসাম, জিংক সালফেট, কীটনাশক, ছত্রাকনাশকসহ ধান চাষে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সামগ্রী ও সাইনবোর্ড।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বোরো মৌসুমে পাহাড়ি অঞ্চলের জন্য ব্রি উদ্ভাবিত ব্রি ধান-১০০, ১০২, ১০৪, ১০৮ ও ১১৪ জাতগুলো অত্যন্ত সম্ভাবনাময়, আধুনিক ও উচ্চফলনশীল। সঠিক সময়ে রোপণ এবং নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা উল্লেখযোগ্য ফলন অর্জন করতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, ধানের উৎপাদন টেকসই করতে ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধে কৃষকদের সচেতনতা জরুরি। রোগ দমনে সঠিক সময়ে ও নির্ধারিত মাত্রায় ওষুধ প্রয়োগ করলে ক্ষতির ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা সভাপতিত্ব করেন। এ কার্যক্রমে খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কৃষকরা এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানান।