
খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক :
১৭ মার্চ ২০২৬ খাগড়াছড়িতে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহায়তার আবেদন জানানো এক তরুণী উদ্যোক্তার পাশে দাঁড়িয়ে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহায়তা করেছে তারা।
তরুণী উদ্যোক্তা রিতা চাকমা (২৫) রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বাঘাইহাট এলাকার ছয়নালছড়া গ্রামের বাসিন্দা। সীমিত সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও নিজের একটি ছোট ব্যবসা গড়ে তোলার স্বপ্ন ছিল তার। এ লক্ষ্যে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে সহযোগিতা কামনা করেন। তবে প্রত্যাশিত সাড়া না পেয়ে একসময় হতাশ হয়ে পড়েন।
পরবর্তীতে বিষয়টি খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডারের নজরে এলে তার নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট জোন কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নেয়। অল্প সময়ের মধ্যেই রিতার জন্য একটি দোকান চালুর প্রয়োজনীয় বক্স ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীসহ সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
অপ্রত্যাশিত এ সহায়তা পেয়ে রিতা চাকমা আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, “আমি ভাবিনি কেউ এভাবে পাশে দাঁড়াবে। এই সহায়তা আমার স্বপ্ন পূরণের নতুন পথ তৈরি করেছে।”
স্থানীয়দের মাঝেও এ উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাদের মতে, এমন সহায়তা শুধু একজন মানুষের জীবনই বদলায় না, বরং সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা, শিক্ষা, চিকিৎসা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। রিতা চাকমার পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ তারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
খাগড়াছড়িতে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহায়তার আবেদন জানানো এক তরুণী উদ্যোক্তার পাশে দাঁড়িয়ে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহায়তা করেছে তারা।
তরুণী উদ্যোক্তা রিতা চাকমা (২৫) রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বাঘাইহাট এলাকার ছয়নালছড়া গ্রামের বাসিন্দা। সীমিত সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও নিজের একটি ছোট ব্যবসা গড়ে তোলার স্বপ্ন ছিল তার। এ লক্ষ্যে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে সহযোগিতা কামনা করেন। তবে প্রত্যাশিত সাড়া না পেয়ে একসময় হতাশ হয়ে পড়েন।
পরবর্তীতে বিষয়টি খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডারের নজরে এলে তার নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট জোন কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নেয়। অল্প সময়ের মধ্যেই রিতার জন্য একটি দোকান চালুর প্রয়োজনীয় বক্স ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীসহ সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
অপ্রত্যাশিত এ সহায়তা পেয়ে রিতা চাকমা আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, “আমি ভাবিনি কেউ এভাবে পাশে দাঁড়াবে। এই সহায়তা আমার স্বপ্ন পূরণের নতুন পথ তৈরি করেছে।”
স্থানীয়দের মাঝেও এ উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাদের মতে, এমন সহায়তা শুধু একজন মানুষের জীবনই বদলায় না, বরং সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা, শিক্ষা, চিকিৎসা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। রিতা চাকমার পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ তারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
আপনার মতামত লিখুন :