প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সুষম উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার …পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান


hello.ahmedpolash প্রকাশের সময় : মে ৬, ২০২৬, ৩:৪৮ পূর্বাহ্ন /
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সুষম উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার …পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

প্রতিনিধি: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। হিমালয়ের পাদদেশস্থ বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের পার্বত্য অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
৪ মে সোমবার ঢাকার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে কানাডা সরকারের অর্থায়নে ‘গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা’ (জিএসি)-এর সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘হিন্দু-কুশ হিমালয় অঞ্চলে সমন্বিত জলবায়ু অভিযোজন সমাধান (হাই-কাস)’ প্রকল্পের কিক-অফ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার সুষম উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও জানান, জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ঘঅচ) এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (ঝউএ)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নারী ও যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়ন এবং খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে গৃহীত এই উদ্যোগ সফল হলে তা পর্যায়ক্রমে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামে সম্প্রসারণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার ওপর প্রভাব পড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, দেশি-বিদেশি সংস্থার গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে।
অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। এছাড়া ইসিমোডের হাই-কাস প্রকল্পের সিনিয়র প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জেসিকা এমিলি ফুলউড থমাস, আরণ্যক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোতালেব, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মে মে ন্যু মারমাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পার্বত্য চট্টগ্রামের জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।