
সবুজ পাতা ডেস্ক : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খাগড়াছড়ি জেলার ২৯৮ নম্বর সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মাঝে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্ধ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ২১ জানুয়ারি বুধবার সকাল ১১টায় খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসারের তত্ত্বাবধানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রার্থীরা তাদের নিজ নিজ প্রতিনিধিসহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হন। নির্বাচন কমিশনের বিধি-বিধান ও নির্দেশনা অনুসরণ করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
প্রতীক বরাদ্ধ অনুযায়ী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ওয়াদুদ ভুইঁয়া পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা। জাতীয় পার্টির প্রার্থী মিথিলা রোয়াজা পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীক। বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) থেকে উশোপ্রু মারমা পেয়েছেন রকেট প্রতীক।
এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মোঃ কাউছার পেয়েছেন হাতপাখা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে মোঃ নূর ইসলাম পেয়েছেন আপেল, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে মোঃ মোস্তফা পেয়েছেন হারিকেন এবং গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী দীনময় রোয়াজা পেয়েছেন ট্রাক প্রতীক।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে জিরুনা ত্রিপুরা পেয়েছেন কলস, ধর্মজ্যোতি চাকমা পেয়েছেন ঘোড়া এবং সমীরণ দেওয়ান পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক।
প্রতীক বরাদ্ধ শেষে বিএনপির প্রার্থী ওয়াদুদ ভুইঁয়া বলেন, তিনি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করেন। অন্য প্রার্থীরাও নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা প্রকাশ করে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতীক বরাদ্ধের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে মাঠে নামবেন।
উল্লেখ্য, এ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ১৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে সাতজনের মনোনয়ন বৈধ, সাতজনের মনোনয়ন বাতিল এবং একজনের প্রার্থিতা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে আপিলে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধতা ফিরে পাওয়ায় মোট ১৩ জন প্রার্থী বৈধ হন। তবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে দুইজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় শেষ পর্যন্ত ১১ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আপনার মতামত লিখুন :