নাইক্ষ্যংছড়িতে পর্যটকের ঢল, জোরদার নিরাপত্তা


admin প্রকাশের সময় : মার্চ ২৫, ২০২৬, ৪:১০ অপরাহ্ন /
নাইক্ষ্যংছড়িতে পর্যটকের ঢল, জোরদার নিরাপত্তা

মোহাম্মদ ইউনুছ:

 ২৫ মার্চ ২০২৬ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে অবস্থিত উপবন পর্যটন লেক ও দেশের তৃতীয় ঝুলন্ত সেতু ঘিরে ঈদের পর পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম দেখা গেছে। ঈদের চতুর্থ দিন ২৫ মার্চ বুধবার  সরেজমিনে দেখা যায়, নারী-পুরুষ, শিশু থেকে বৃদ্ধসব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে পর্যটন কেন্দ্রটি যেন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার থেকে মাত্র ২৮ কিলোমিটার দূরত্বে হওয়ায় দেশি-বিদেশি পর্যটকরা সহজেই এখানে ভ্রমণে আসছেন। তারা উপভোগ করছেন পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, লেকের পরিবেশ এবং পানির ওপর নির্মিত ঝুলন্ত সেতুর আকর্ষণ।

বিশেষ করে শিশুদের জন্য নির্মিত মিনি পার্কের বিভিন্ন রাইডে আনন্দ করছে ছোটরা। কুমিল্লা থেকে আসা পর্যটক দম্পতি রাসেল ও সুমি জানান, ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার ভ্রমণের পাশাপাশি এ পর্যটন কেন্দ্রে এসে তাদের আনন্দ দ্বিগুণ হয়েছে। তারা বলেন, পাহাড়ি পরিবেশ ও স্থানীয় সংস্কৃতি উপভোগের সুযোগ তাদের ভ্রমণকে আরও স্মরণীয় করেছে।

পর্যটন কেন্দ্রের প্রবেশমুখে রয়েছে শিশু পার্ক, পাশাপাশি রাত্রিযাপনের জন্য পার্বত্য জেলা পরিষদের দুটি রেস্টহাউস ও কয়েকটি আবাসিক হোটেল। এছাড়া খাবারের জন্য রয়েছে বিভিন্ন মানসম্মত রেস্টুরেন্ট, যার মধ্যে ‘হোটেল শেরাএন’ ও ‘অতিথি হোটেল’ উল্লেখযোগ্য।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক তাজ উদ্দিন, রিমি, শামিম ও শেফালী জানান, সাগরের পাশাপাশি পাহাড় ভ্রমণ তাদের ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয় ফলমূল যেমন কলা, লেবু ও পেঁপে পেয়ে তারা আনন্দিত।

এছাড়া নাইক্ষ্যংছড়িতে অবস্থিত প্রায় হাজার ফুট উচ্চতার শৈলচূড়া থেকে কক্সবাজার সমুদ্র উপভোগ করা যায়। রয়েছে শতবর্ষী ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহারও।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী জানান, পর্যটন কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উপবন পর্যটন কেন্দ্রে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি আনসার ও পুলিশের সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আরও জানান, ঈদের পর প্রতিদিন প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার পর্যটক এ এলাকায় ভিড় করছেন।