সাধারণ

বান্দরবানে গোলাগুলিতে সেনা কর্মকর্তাসহ নিহত ৪

মংহাইসিং মারমা,বান্দরবান:

বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম সীমান্তবর্তী এলাকায় রুমা জোনের একটি টহল দল সঙ্গে মূল দল জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) দুই পক্ষের গোলাগুলিতে সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার সহ তিনজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজন সেনা সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সেনাবাহিনী। বুধবার রাত সাড়ে ১০টা দিকে রুমা বথি পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সেনা সদস্য টহল কমান্ডার সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাবিবুর রহমান। আহত সেনা সদস্যর নাম মো. ফি‌রোজ। ত‌বে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত ‌জেএসএস (মুল) দ‌লের নিহত‌ সদস্যদের নাম পাওয়া যায়‌নি।

সেনাবাহিনীর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার (২ ফেব্রুয়ারী)  সন্ধ্যায় ২৮ বী‌রের অন্তর্গত বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রে‌জি‌মে‌ন্টের সি‌নিয়র ওয়া‌রেন্ট অফিসা‌র হাবিবুর রহমা‌নের নেতৃ‌ত্বে রাইক্ষ্যং লেক আর্মি ক্যাম্প থে‌কে একটি বিশেষ টহল দল পাখই পাড়ায় যায়। সেখা‌নে গিয়ে সেনা টহল দল জান‌তে পা‌রে ব‌থিপাড়া এলাকার আস্তানায় সন্তু বা‌হিনীর জেএসএস (মূল) দলের সদস্যরা অবস্থান কর‌ছে। প‌রে টহল দলটি ব‌থি পাড়ায় গে‌লে সেনাদের লক্ষ্য ক‌রে গু‌লি ক‌রে সাত থেকে আটজন সন্ত্রাসী পা‌লাতে চেষ্টা করে। এ সময় সেনা সদস্যরাও পাল্টা গু‌লি চালা‌য়। এ সময় মাথায় গু‌লি‌বিদ্ধ হ‌য়ে সিনিয়র ওয়া‌রেন্ট অফিসার মো. হাবিবুর রহমান মারা যায়। এছাড়া আরেক সেনাসদস্য পায়ে গু‌লি‌বিদ্ধ হ‌য়ে আহত হয়। প‌রে ঘটনাস্থল থে‌কে তিন জেএসএস  সদস্যদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি এসএমজি, ৩টি দেশীয় অস্ত্র, ২৮০ রাউন্ড গুলি, সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত পোশাকসহ নানা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এ ব্যাপারে রুমা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ অবুল কাশেম চৌধুরী জানিয়েছেন, নিহতদের লাশগুলি থানা হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ের পরে বিস্তারিত জানানো যাবে।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Back to top button