কক্সবাজারশীর্ষ সংবাদ

কচ্ছপিয়া কে.জি স্কুল বৃহত্তর রামু উপজেলার শিক্ষার বাতিঘর

 

রামু প্রতিনিধি : রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রণয় চাকমা বলেছেন- রামুর কচ্ছপিয়া কে.জি স্কুল বৃহত্তর গর্জনিয়ায় শিক্ষার বাতিঘর। এটির সুনাম অনেক। এ স্কুলের ফিউচার রয়েছে। তাই সবাইকে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে ধরে রাখার চেষ্ঠা করতে হবে। কেননা তিনিও এ ধরণের কে.জি স্কুলে পড়েই আজ ইউএনও। ১১ মে বুধবার দুপুরে কচ্ছপিয়া কে.জি স্কুলের অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও প্রণয় চাকমা আরো বলেন-শিক্ষা মানুষকে বড় করে। তবে এ শিক্ষা যেন মেধায় হয়। বর্তমানে দেশে ভাল ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারের বড় অভাব। তাই শিক্ষার্থীদের বেশী বেশী পড়তে হবে। জানতে হবে। তবে তা যেন মূখস্ত বিদ্যায় না হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে অত্র স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক মাঈনুদ্দিন খালেদ বলেন, বর্তমানে বুনিয়াদি শিক্ষার পরিবেশ নেই বলে এ এলাকায় শত বছরে আশানূরূপ উচ্চ পদস্থ সরকারী কেউ নেই। যা রয়েছে তা অতি নগণ্য। এ অভাবের তাড়নায় এ কে.জি স্কুলের সৃষ্টি। বর্তমানে কচ্ছপিয়া কে জি স্কুল এভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন- পার্বত্য বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ক্যনেওয়ান চাক। গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম চৌধুরীর প্রানবন্ত পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি মো.ফরহাদ আলী, কচ্ছপিয়ার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আবু আব্দুল্লাহ মো.জহির উদ্দিন বদরু, কচ্ছপিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি নাছির উদ্দিন সিকদার সোহেল, গর্জনিয়া পল্লী চিকিৎসক সমিতির সভাপতি মাওলানা আলী আকবার, সাংবাদিক হাবিবুর রহমান সোহেল, মাস্টার ফইজুল হাসান, গর্জনিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এরশাদ উল্লাহ, কচ্ছপিয়া ব্লাড ডোনেটিং কমিটির সভাপতি মো. শাহীন, স্থানীয় কন্ঠ শিল্পী বাহাদুর প্রমূখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথির সম্মানে স্কুলের ক্ষুদে নিত্য দল নাচ পরিবেশন করেন। আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তোলে দেন।

 

 

Show More

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Back to top button