ব্রেকিং নিউজ

উখিয়ায় সুপারীর বাম্পার ফলন, খুশী চাষী ও ব্যবসায়ীরা

শ.ম.গফুর,উখিয়া,কক্সবাজারঃ

কক্সবাজারের উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নে এবার সুপারির বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে সুপারির দাম ভালো থাকায় খুশি চাষিরা। পান, সুপারি উৎপাদন ও বাজারজাত করে একাধিক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিকচাষি স্বাবলম্বী হয়ে ওঠায় এ উপজেলায় দিন দিন সুপারি চাষাবাদের পরিধিও বাড়ছে।

চাষিরা জানান, সুপারি চাষ ধান চাষের চেয়ে লাভজনক। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় অন্য বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে সুপারির ফলন ভালো হয়েছে।নিদানিয়া গ্রামের প্রান্তিকচাষি এনামুর রশিদ জানায়, তিনি তার বসতভিটা সংলগ্ন ৪০ শতক জমিতে শতাধিক সুপারি গাছ লাগিয়ে আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়েছেন। চলতি মৌসুমে তার বাগানটি দেড় লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তিনি জানান, এর আগে এ জমিতে ধান চাষ করে লাভবান হতে পারেননি।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সুপারির চালান সরবরাহে জড়িত পাইকারি ব্যবসায়ী সোনারপাড়া গ্রামের শামশুল আলম সওদাগর জানান, জালিয়াপালং ইউনিয়নের অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা সোনারপাড়া বাজার থেকে মৌসুমে সাপ্তাহিক কোটি টাকার সুপারির চালান দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে। সুপারি ব্যবসা করে এখানকার হাজারেরও অধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী স্বাবলম্বী হয়েছেন।

বর্তমানে ওইসব ব্যবসায়ীরা শহরের বিভিন্ন মোকামে সুপারি সরবরাহ করছে।জালিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী বলেন, তার ইউনিয়নের প্রতিটি পরিবারই কিছু না কিছু পান, সুপারি চাষ করে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রসেনজিত্ তালুকদার জানান, অর্থকরী ফসল পান সুপারিসহ বিভিন্ন প্রজাতির তরি-তরকারি, শাকসবজি উত্পাদনে কৃষকদের উত্সাহিত করার পাশাপাশি সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।যার ফলে উপজেলায় উত্পাদিত পান, সুপারি বিদেশে রপ্তানি করতে সক্ষম হচ্ছে। তিনি বলেন, উপজেলায় সাড়ে ৪০০ একর জমিতে পান সুপারি উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বর্তমানে তা অনেকগুণ বেড়েছে।সরকারী ভাবে সহযোগিতা পেলে উখিয়ায় সুপারী চাষাবাদের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে বলে অনেকেই জানান।

সামঞ্জস্যপূর্ণ সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।