রামগড় পৌরসভা নির্বাচনে কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি?

রামগড় পৌরসভা নির্বাচনে কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি?

রামগড় অফিস:

আগামী ২রা নভেম্বর দেশের ১০টি পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর বুধবার নির্বাচন কমিশনের ৮৬তম সভা শেষে ১০টি পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন ইসি সচিব হুমায়ূন কবীর খন্দকার। তফসিল অনুযায়ী ২ নভেম্বর ইভিএমের মাধ্যমে খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর পদে ভোটগ্রহণ করা হবে। প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলে শেষ তারিখ আগামী ৯ অক্টোবর। মনোনয়রপত্র বাছাই ১১ অক্টোবর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ অক্টোবর।

খাগড়াছড়ির সাবেক মহকুমা শহর রামগড় পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী আমেজ। চলছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ। ইতিমধ্যেই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের টিকেট পেতে মরিয়া নির্বাচনে সম্ভাব্য দলীয় প্রার্থীরা। কেউ কেউ তদবিরে ছুটছেন জেলা ও ঢাকায়। আওয়ামীলীগ থেকে প্রার্থীতা হবার জন্য ইতিমধ্যে মাঠে কাজ করছেন পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি রফিকুল আলম কামাল এবং পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের। তারা এলাকায়ও জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রার্থিতার বিষয়টি তুলেও ধরছেন। আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকার মাঝি হতে চান, এমন ২ জন প্রার্থীর নাম ইতোমধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে। আর এসব নেতার অনুসারীরা ফেসবুকে নিজ-নিজ পছন্দের নেতাদের প্রার্থিতার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। গড়ে তুলছেন জনমতও। তবে, যে যেভাবেই প্রচারণা চালাক, এই আসনে শেষ পর্যন্ত কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি, তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

উল্লেখিত দুইজন ছাড়াও নির্বাচন করার জন্য অনেকে মাঠে কাজ করছেন। তারমধ্যে বিগত দুটি নির্বাচনে জয়ী মেয়র উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ শাহজাহান রয়েছেন। তিনি বিগত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করায় আওয়ামীলীগ থেকে বহিষ্কৃত হওয়ায় দলীও প্রার্থীতায় পিছিয়ে রয়েছেন। শেষ পর্যন্ত আবারও স্বতন্ত হয়ে লড়ার সম্ভাবনা রয়েছে তার। বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচন বর্জন করার ঘোষনায় দ্বিধাদ্বন্দে পড়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। দলীয়ভাবে প্রার্থী না দিলেও কেউ কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়তে চিন্তাভাবনাও করছেন বলেও শোনা যাচ্ছে। এছাড়া পার্বত্য চট্রগ্রাম নাগরিক পরিষদ এর ব্যানারেও প্রার্থী হওয়ার সম্ভবনার কথা শোনা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, রামগড় পৌরসভা ২০০১ সালের ৪ জানুয়ারি ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে যাত্রা শুরু করে ২০০৫ সালের ১১ অক্টোবর ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয়। এ পৌরসভায় এখনো শতভাগ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত হয়নি। নাগরিক সুবিধা পেতে এখনও ঘুরতে হচ্ছে দিনের পর দিন। রয়েছে যানজট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সড়কবাতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ নানা সংকট। ২০.৮৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ পৌরসভায় মোট জনসংখ্যা প্রায় ৩৩ হাজার। মোট ভোটার ২২ হাজার ৪৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১১ হাজার ৫৬৩ ও মহিলা ১০ হাজার ৪৮৪ জন।

সামঞ্জস্যপূর্ণ সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

12 + 5 =