পার্বত্য প্রেসক্লাবের মহৎ উদ্যোগ আরেক গৃহহীন পেল বসতঘর

নূর মোহাম্মদ হৃদয়: খাগড়াছড়ি জেলা সদরের শালবন মুক্তিযুদ্ধা পল্লী এলাকার গৃহহীন আনোয়ারা বেগম পেল বসতঘর। খাগড়াছড়িতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন পার্বত্য প্রেসক্লাব ও দৈনিক সবুজ পাতার দেশ পত্রিকা কর্তৃপক্ষ এ ঘর নির্মান করে দিয়েছে। টেউটিন দিয়ে তৈরি এ ঘরটি নির্মান করতে প্রায় ১০ বান্ডিল টিন ব্যবহার করা হয়েছে। বসতঘর না থাকায় দীর্ঘদিন পলিথিনের বেড়ার ভিতর বসবাস করে আসছিল আনোয়ারা বেগমের পরিবার। ঘর পেয়ে আবেগে আপ্লুত আনোয়ারা বেগম বলেন, সাংবাদিকদের দোয়া করি যেন আমার মতো আরো অনেকজনকে দেওয়ার তৈফিক আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে দেন।
গত ৩০ ডিসেম্বর পৌর কমিশনার শাহিদা বেগম উপস্থিত থেকে এ ঘর বুঝিয়ে দেন। এসময় পার্বত্য প্রেসক্লাবের সভাপতি দেব প্রসাদ ত্রিপুরা, সম্পাদক জুলহাস উদ্দিন ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মো: আবুল কাশেম উপস্থি’ত ছিলেন। আনোয়ারা বেগমের এ বসতঘর তৈরিতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্যতম দানশীল সদস্য পার্থ ত্রিপুরা জুয়েলও ৩ বান্ডিল টেউটিন দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, আনোয়ারা বেগমের স্বামীর নাম আফির উদ্দিন। ২০০১ সালে বিএনপি জোট ক্ষমতায় আসার পর আনোয়ারা-আফির উদ্দিন দম্পত্তি আওয়ামী লীগ সমর্থিত হওয়ায় বিভিন্নভাবে হয়রানীর শিকার হন। আনোয়ারা বেগমের নামীয় শালবন গুচ্ছগ্রামে একখানা রেশন কার্ড ছিল। কার্ড নং-৫৩। আজোও তিনি নিজ নামীয় রেশন কার্ড ফেরত পাওয়ায় আশায় হাউমাউ করে কেঁদে উঠেন। কারন এ রেশন কার্ড পাওয়ার পেছনে তার অনেক শ্রম রয়েছে। বিএনপি জোট সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রতিকূলতা ও স্বামীর অসুস্থতার কারনে বসতঘরটি ব্যাহাত হয়। দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি বসতঘরের জন্য কষ্ট করছিলেন।

এখন বসতঘর পেলেও তিনি রেশন কার্ডটি ফেরত পাননি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যদি এই অভাগিনীর দিকে সুদৃষ্টি পড়ে তাহলে তিনি রেশন কার্ডটি ফেরতও পেতে পারেন। তখন আনোয়ারা বেগমের মুখে তৃপ্তির ঢেঁকুর পরিলক্ষিত হবে।

 

বিস্তারিত

সামঞ্জস্যপূর্ণ সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 × two =