খাগড়াছড়িতে ঋণের কিস্তি আদায়ে বেপরোয়া এনজিও গুলো

(ধারাবাহিক প্রতিবেদনের ১ম পর্ব)

 

ডেস্ক রিপোর্ট : খাগড়াছড়িতে কিস্তি পরিশোধে চাপ দিচ্ছে ইসলামি ব্যাংকসহ অন্যান্য এনজিও সংস্থা। কিস্তি আদায়ে অবলম্বন করছে নানা কলা-কৌশল। করোনাভাইরাসের কারণে জীবনের সবচেয়ে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ।
গত কয়েক মাস কোনো আয় রোজগার না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে অনেকেই। বিশেষ করে দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি নাজুক।
এ দুঃসময়েও এনজিওগুলো কিস্তির টাকার জন্য চাপাচাপি করছে। ছলে বলে কৌশলে পরোক্ষ হুমকির আশ্রয় নিচ্ছে এনজিও গুলো।
অথচ সরকার এই সঙ্কটকালে এনজিওগুলোকে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সব ধরনের কিস্তি আদায় পুরোপুরি বন্ধ রাখতে বলেছে। এনজিওগুলোর কিস্তি আদায়ের এই তৎপরতায় মানুষের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার শালবন গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের জনৈক গৃহবধূ জানান, করোনার আগে মাসিক কিস্তিতে ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিলাম। কয়েকটি কিস্তি পরিশোধ করার পরেই মহামারি করোনার দুর্যোগে কর্মহীন হয়ে পড়েন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী স্বামী। লকডাউন চলাকালীন থেকে শুরু করে প্রতিনিয়ত ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য মুঠোফোনে কল দিয়ে ও রাস্তা-ঘাটে দেখা হলেই চাপ দেন সংশ্লিষ্ট কিস্তি গ্রহীতা ইসলামি ব্যাংকের নিয়োজিত এক কর্মচারী। কিস্তি দিতে না পেরে আমরা তাদের ভয়ে আতংঙ্কে আছি’’ ।
চলমান…..

বিস্তারিত

সামঞ্জস্যপূর্ণ সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

eight − three =