ক্যাবলকার স্থাপনের ফলে পর্যটকমূখী শহর হবে খাগড়াছড়ি: পার্থ ত্রিপুরা জুয়েল

নিজস্ব প্রতিবেদক:
খাগড়াছড়ি জেলাকে পর্যটকবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তোলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ভ্রমণপীপাষুদের অন্যতম আকর্ষণ ক্যাবলকার স্থাপন করা হচ্ছে। এ ক্যাবলকার স্থাপন করা হলে, একদিকে যেমন সারাদেশ থেকে আসা পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে, অন্যাদিকে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার হবে, সৃষ্টি হবে বহু কর্মসংস্থান। এতে করে বেকারত্ব দূর হবে, পাল্টে যাবে জেলার অর্থনৈতিক অবস্থা। আর এ কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করতে উদ্যোগ হাতে নিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ।
খাগড়াছড়িতে ক্যাবলকার স্থাপনের সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানাযায়, ক্যাবলকারে মূলত তিনটি স্টেশন থাকবে। জেলার জিরো মাইল, আলুটিলা পর্যটন এলাকা এবং জেলা পরিষদ পার্ক। এ তিনটি স্টেশন হতেই পর্যটকরা উঠানামা করতে পারবে। যেকোন একটি স্টেশনে উঠতে পারলেই পুরো আলুটিলা হয়ে, জিরো মাইল এবং জেলা পরিষদ পার্ক পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারবে।
গত ২৭ মে চীন থেকে আসা ইঞ্জিনিয়ারিং টিম জেলা পরিষদ সদস্য জুয়েল ত্রিপুরার নেতৃত্বে, ক্যাবলকার স্থাপনে স্যাটেলাইট সার্ভে করে। এসময় ক্যাবলকার জেলার জিরো মাইল হয়ে, আলুটিলা পর্যটন এলাকা এবং জেলা পরিষদ পার্ক পর্যন্ত স্থাপন করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এব্যাপারে খাগড়াছড়ি পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রেজাউল করিম জানান, খাগড়াছড়ির উপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত পর্যটক রাঙ্গামাটি জেলার সাজেক ভ্রমণ করছে। কিন্তু আমাদের খাগড়াছড়ি জেলায় পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে তেমন স্থাপনা না থাকায় তারা, খাগড়াছড়ি আসার পরই সাজেক চলে যায়। তবে এখানে ক্যাবলকার স্থাপন করা হলে, পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে। পর্যটক বান্ধব শহর হবে, খাগড়াছড়ি।
এব্যাপারে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য পার্থ ত্রিপুরা জুয়েল জানান, চীন থেকে আসা ইঞ্জিনিয়ারিং টিম ক্যাবলকার স্থাপনে স্যাটেলাইট সার্ভে করেছেন। তারা ফিরে যাওয়ার পর সম্ভাব্য বাজেটের খসড়া প্রণয়ন করবেন। সে অনুযায়ী ক্যাবলকার স্থাপনের কাজ বাস্তবায়ন করবে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য জেলা পরিষদ, খাগড়াছড়ি।
এসময় তিনি আরো জানান, সম্প্র্রতি মাননীয় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজ্যরী চৌধুরীসহ আমরা একটি পক্ষ চীনে ক্যাবল কার দেখে এসেছি। এখানেও ঠিক সেরকম অত্যাধুনিক মানের ক্যাবল কার স্থাপন করা হবে। এ ক্যাবলকার স্থাপনের মাধ্যমে সারাদেশে নতুনভাবে পর্যটকদের মাঝে খাগড়াছড়ি জেলা নতুনভাবে পরিচিতি পাবে। ফলে সারাদেশের পর্যটকেরা খাগড়াছড়িমুখী হবে, বহু কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। পাল্টে যাবে খাগড়াছড়ির অর্থনৈতিক দৃশ্যপট।

বিস্তারিত

সামঞ্জস্যপূর্ণ সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 + seven =